• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৩ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
নীলফামারীতে তিন দিনের ইজতেমা শুরু ভোটের দিনে লিফলেট বিতরণের দায়ে জামায়াত নেতার অর্থদন্ড নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী”

বীরগঞ্জে ম্যানেজিং কমিটি গঠন নিয়ে দ্বন্দ্বে শিক্ষার্থীশূন্য বিদ্যালয়

SAMSUNG CAMERA PICTURES

দিনাজপুর প্রতিনিধি: দিনাজপুরের বীরগঞ্জে কমিটি গঠন নিয়ে দ্বন্দ্ব ও দুই শিক্ষকের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনায় ভয়ে শিক্ষার্থীশূন্য হয়ে পড়েছে উত্তর সাদুল্যাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরব ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অভিভাবকরা। স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার পাল্টাপুর ইউনিয়নের উত্তর সাদুল্যাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ায় কমিটি তাদের কার্যক্রম সমাপ্ত করে। এরপর প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলাম খান হাজী ইদ্রিস আলীকে সভাপতি করে দাতা সদস্য, অভিভাবক সদস্য, ইউপি সদস্য, মহিলা বিদ্যোৎসাহী ও শিক্ষক প্রতিনিধি মনোনীত করে নতুন কমিটি গঠনের চূড়ান্ত তালিকা উপজেলা শিক্ষা অফিসে প্রেরণ করেন। এ খবর জানার পর ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. বজির উদ্দিন, জান্নাতুন ফেরদৌস, বিউটি রানী সেন,  মো. জিয়াউর রহমান, মো. সিরাজুল ইসলাম, আজগর আলীসহ এলাকাবাসী ক্ষিপ্ত হয়ে উল্লেখিত কমিটিকে ‘মনগড়া’ আখ্যায়িত করে কমিটির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান। ওই কমিটি গঠনের ঘটনায় সহকারী শিক্ষিকা জান্নাতুন ফেরদৌসের সঙ্গে গত বৃহস্পতিবার প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলাম খানের হাতাহাতি ও জুতাপিটার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর ভয়ে কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয় ছেড়ে পালিয়ে যায়। গত চার দিনেও শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে ফিরে আসেনি। সরেজমিনে দেখা যায়, বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ৬৯ জন শিক্ষার্থীর বিপরীতে পাঁচজন শিক্ষক কর্মরত। এর মধ্যে সহকারী শিক্ষিকা বিউটি রানী ছাড়া চার শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন। এ সময় কোনো  শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে উপস্থিত ছিল না। এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলাম খান মোবাইলে জানান, ম্যানেজিং কমিটি গঠন নিয়ে দ্বন্দ্বের কারণে সাবেক সভাপতি জিয়াউর রহমান ছাত্র-ছাত্রীদের বিদ্যালয়ে আসতে বাধা দিচ্ছেন ও ভীতি প্রদর্শন করছেন। এ কারণে অভিভাবকেরা তাদের সন্তানদের বিদ্যালয়ে পাঠাননি। তবে শিক্ষিকার সঙ্গে দুর্ব্যবহারের ঘটনা মিথ্যা বলে দাবি করেন তিনি। উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. এরশাদুল হক ও সংশ্লিষ্ট ক্লাস্টারের সহকারী শিক্ষা অফিসার খুরশিদা বেগম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ম্যানেজিং কমিটি গঠনে অনিয়মের অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি ৯ ফ্রেব্রুয়ারির ঘটনার অভিযোগ ও ছাত্র-ছাত্রীদের অনুপস্থিতির বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ